1. manikbdoot@gmail.com : dailylalbarta : dailylalbarta dailylalbarta
ঢাকায় নতুন দুই মেট্রোরেলের স্টেশন ও রেলপথ নির্মাণ শুরু - দৈনিক লালবার্তা

ঢাকায় নতুন দুই মেট্রোরেলের স্টেশন ও রেলপথ নির্মাণ শুরু

Reporter Name
  • আপডেটের সময়: Wednesday, October 28, 2026,
  • 8 সময় দেখুন

রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত এমআরটি লাইন-১ এবং হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর)-এর স্টেশন ও রেলপথ নির্মাণের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চারটি প্যাকেজের আওতায় দুই প্রকল্পে আটটি উড়াল স্টেশন ও প্রায় ১১ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ নির্মাণ করা হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে উত্তরার দিয়াবাড়িতে মেট্রোরেল ভবনে চারটি প্যাকেজের জন্য আলাদা চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প দুটি বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) যৌথ অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে।

দুই মেট্রোরেল প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে এমআরটি লাইন-১ নির্মাণে ব্যয় হবে ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা এবং এমআরটি লাইন-৫ নির্মাণে ৮৯ হাজার কোটি টাকা। এমআরটি লাইন-১-এর দৈর্ঘ্য হবে ৩১ কিলোমিটার এবং এতে থাকবে ২১টি স্টেশন। আর ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-৫-এ থাকবে ১৪টি স্টেশন। প্রকল্প দুটির নির্মাণকাজ ২০৩৩ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ : আইজিপি

চুক্তি অনুযায়ী, এমআরটি লাইন-১-এর ডিপো এলাকায় ওয়ার্কশপ, স্ট্যাবলিং শেড ও অপারেশন ম্যানেজমেন্ট সেন্টারসহ মোট ৪৯টি স্থাপনা নির্মাণ করা হবে। এ কাজের দায়িত্ব পেয়েছে চীনের সিনোহাইড্রো ও এসইবিসিএল। পাশাপাশি পাঁচ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ এবং জোয়ার সাহারা, বোয়ালিয়া ও মস্তুল স্টেশন নির্মাণে চুক্তি হয়েছে চীনের সিআরইসি ও এমবিইসি এবং জাপানের এমআইএলের সঙ্গে।

অন্যদিকে এমআরটি লাইন-৫-এর ডিপোর প্রশাসনিক ভবন, স্ট্যাবলিং ইয়ার্ড, গুদাম ও ওয়ার্কশপ শেডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করবে তাইওয়ানের সিপিসি ও দক্ষিণ কোরিয়ার হানিল। হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার এবং নতুন বাজার থেকে ভাটারা পর্যন্ত মোট ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ এবং পাঁচটি স্টেশন নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে সিআরইসি–এমআইএল–এমবিইসি।

ডিএমটিসিএল জানিয়েছে, চারটি প্যাকেজের কাজ বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারিত হবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেছেন, যানজট কমানো ও যাতায়াতের সময় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে মেট্রট্রোরেলের স্টেশন ও রেলপথ নির্মাণ শুরু

আরও পড়ুনঃ  সচিবদের বেতন ছাড়াল রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর সম্মানী, বাড়ছে না যে কারণে

রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত এমআরটি লাইন-১ এবং হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর)-এর স্টেশন ও রেলপথ নির্মাণের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চারটি প্যাকেজের আওতায় দুই প্রকল্পে আটটি উড়াল স্টেশন ও প্রায় ১১ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ নির্মাণ করা হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে উত্তরার দিয়াবাড়িতে মেট্রোরেল ভবনে চারটি প্যাকেজের জন্য আলাদা চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প দুটি বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) যৌথ অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে।

দুই মেট্রোরেল প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে এমআরটি লাইন-১ নির্মাণে ব্যয় হবে ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা এবং এমআরটি লাইন-৫ নির্মাণে ৮৯ হাজার কোটি টাকা। এমআরটি লাইন-১-এর দৈর্ঘ্য হবে ৩১ কিলোমিটার এবং এতে থাকবে ২১টি স্টেশন। আর ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-৫-এ থাকবে ১৪টি স্টেশন। প্রকল্প দুটির নির্মাণকাজ ২০৩৩ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  রাজধানীর মিরপুরে ডিএনসিসির অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

চুক্তি অনুযায়ী, এমআরটি লাইন-১-এর ডিপো এলাকায় ওয়ার্কশপ, স্ট্যাবলিং শেড ও অপারেশন ম্যানেজমেন্ট সেন্টারসহ মোট ৪৯টি স্থাপনা নির্মাণ করা হবে। এ কাজের দায়িত্ব পেয়েছে চীনের সিনোহাইড্রো ও এসইবিসিএল। পাশাপাশি পাঁচ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ এবং জোয়ার সাহারা, বোয়ালিয়া ও মস্তুল স্টেশন নির্মাণে চুক্তি হয়েছে চীনের সিআরইসি ও এমবিইসি এবং জাপানের এমআইএলের সঙ্গে।

অন্যদিকে এমআরটি লাইন-৫-এর ডিপোর প্রশাসনিক ভবন, স্ট্যাবলিং ইয়ার্ড, গুদাম ও ওয়ার্কশপ শেডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করবে তাইওয়ানের সিপিসি ও দক্ষিণ কোরিয়ার হানিল। হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার এবং নতুন বাজার থেকে ভাটারা পর্যন্ত মোট ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ এবং পাঁচটি স্টেশন নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে সিআরইসি–এমআইএল–এমবিইসি।

ডিএমটিসিএল জানিয়েছে, চারটি প্যাকেজের কাজ বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারিত হবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেছেন, যানজট কমানো ও যাতায়াতের সময় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © দৈনিক লালবার্তা কর্তৃপক্ষ
Design & Development BY: BD IT HOST