1. manikbdoot@gmail.com : dailylalbarta : dailylalbarta dailylalbarta
২০২৬-এর ১৩ নভেম্বর ধ্বংস হবে পৃথিবী, বলছে ৬৬ বছর আগের ভবিষ্যদ্বাণী - দৈনিক লালবার্তা
শিরোনামঃ
তৃতীয় টেস্টেই প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে গেলেন তাওহিদ হৃদয় পদত্যাগের সুনির্দিষ্ট কারণ জানালেন সামান্তা শারমিন ইরানের কেশম দ্বীপে আবারও হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, স্বীকার করলেন ট্রাম্প টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে গোলাগুলিতে নিহত সেনাসদস্যের দাফন সম্পন্ন জামালপুরে ট্রাকচাপায় শিশুসহ একই পরিবারের ৩ জন নিহত দেশের সরকার ব্যবস্থার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন জামায়াত আমিরের ৭ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ম্যাগনা কার্টা: প্রধানমন্ত্রী ইরানের ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র শরীরের যে অংশে ব্যথা হলে বুঝবেন আপনি কিডনি সমস্যায় ভুগছেন খালি পেটে ও খাওয়ার পর সুগার কত থাকা উচিত?

২০২৬-এর ১৩ নভেম্বর ধ্বংস হবে পৃথিবী, বলছে ৬৬ বছর আগের ভবিষ্যদ্বাণী

Reporter Name
  • আপডেটের সময়: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৫ সময় দেখুন

১৯৬০ সালে সায়েন্স জার্নাল একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিল। যেখানে দাবি করা হয়েছিল ২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। সেই দিনটি খুব কাছে চলে এসেছে। সে কারণে এই গবেষণা নিয়ে নতুন চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

৬৬ বছর আগে সায়েন্স জার্নালের সেই গবেষণাপত্রটিতে ভবিষ্যদ্বাণীটি করেছিলেন অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত মার্কিন অধ্যাপক ও সাইবারনেটিকস বিশেষজ্ঞ হাইঞ্জ ফন ফোরস্টার এবং তার দুই শিষ্য প্যাট্রিসিয়া এম মোরা ও লরেন্স ডব্লিউ আমিট। তাদের ভবিষ্যদ্বাণী অবশ্য খুব বেশি অবাস্তব নয়।

তাদের দাবি ছিল, বৈশ্বিক জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে প্রতি ক্ষণে। সে কারণে ২১ শতকের মাঝপথে তা এমন এক সংখ্যায় গিয়ে পৌঁছাবে যা প্রায় অসীম। আর এই অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণেই মানুষ মারা যাবে। তারা ২ হাজার বছরের জনমিতি বা ডেমোগ্রাফিকসের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এই দাবিটি করেন। তাদের এই দাবি ষাটের দশকে আলোচনার জন্ম তো দিয়েছিলই, সঙ্গে জিনগত, বাস্তুসংস্থান ও জনমিতির বিভিন্ন পাঠ্যবইয়েও এই তত্ত্ব উঠে এসেছিল।

আরও পড়ুনঃ  বন্ধুকে হত্যার দায়ে বাংলাদেশিকে মৃত্যুদণ্ড দিল কুয়েত

এই দাবি টাইম ও নিউইয়র্ক টাইমসে শিরোনাম হয়েছিল। এমনকি পোগো কমিক স্ট্রিপেও এর ছাপ পড়ে। সায়েন্সের চিঠিপত্রের পাতায় গণিতবিদ ও জনসংখ্যাবিদেরা এর কড়া সমালোচনা করেন। তবু লেখকেরা নিজেদের হিসাবে অটল থাকেন।

এরপর তাদের পূর্বাভাস অদ্ভুতভাবে মিলে যেতে থাকে। ১৯৭০ ও ১৯৮০-র দশকে এই সমীকরণ বেশির ভাগ জনসংখ্যাবিদের হিসাবের চেয়ে ভালো ফল দেয়। এটি পাঠ্যবইয়ে জায়গা পায়। ১৯৬৩ সালে কানাডার সংসদীয় কমিটিতেও এর উল্লেখ হয়। ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে এক গর্ভপাত মামলাতেও এটি উঠে আসে। ইন্ডিপেন্ডেন্ট এ কথা জানিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কপাল পুড়ছে নেতানিয়াহুর!

তবে ১৯৯৩ সালের দিকে পূর্বাভাসটি ভুল হতে শুরু করে। তখন থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ওই রেখার পেছনে পড়তে থাকে। গবেষণাপত্রে বিশ্বকে জন্মহার অর্ধেকে নামানোর আহ্বান জানানো হয়েছিল। আজ বিশ্বের জন্মহার ১৯৬০ সালের অর্ধেকের চেয়ে সামান্য কম।

কানাডার ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অ্যালান ম্যাকইচার্ন এই তত্ত্বকে ভুল প্রমাণ করেছেন। তিনি জন্মহার কমে যাওয়ার এই হারকে তুলে ধরে দেখিয়েছেন, এই তত্ত্বটি সঠিকভাবে বিষয়টাকে তুলে ধরতে পারেনি। যে কারণে ১৩ নভেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার দাবিটিও ভুল ও ভিত্তিহীন।

আরও পড়ুনঃ  মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ভরাডুবির মূল কারণ ইরান যুদ্ধ: জেডি ভ্যান্স

ষাটের দশক অবশ্য এমন তত্ত্বের জন্য বিখ্যাতই ছিল। মার্কিন বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মী ও ইউএফও গবেষক চ্যান থমাস তার ‘দ্য অ্যাডাম অ্যান্ড ইভ স্টোরি’ বইতে দাবি করেন এমন কিছুর। তার দাবির ভিত্তি অবশ্য ছিল পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিপর্যয়। তার দাবি ছিল, প্রতি ৬০০০ বছর পরপর পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে বিশাল পরিবর্তন আসে। সেটা এবার হলে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ সেই বই বহু বছর গোপন রেখেছিল। ২০১৩ সালে সে নথি অবমুক্ত করে দেওয়া হয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © দৈনিক লালবার্তা কর্তৃপক্ষ
Design & Development BY: BD IT HOST