1. manikbdoot@gmail.com : dailylalbarta : dailylalbarta dailylalbarta
চীনের প্রেসিডেন্ট শির পারিবারিক জীবন নিয়ে যা জানা গেল - দৈনিক লালবার্তা
শিরোনামঃ
" aria-hidden="true"> রংপুরের ইতিহাস লেখক রিয়াদ আনোয়ারের দাফন সম্পন্ন " aria-hidden="true"> ইউএনও-উপজেলা প্রশাসকদের জরুরি নির্দেশনা সরকারের " aria-hidden="true"> হাঁটতে হয় ক্র্যাচে ভর দিয়ে, তবুও জীবিকার তাগিদে গাছের মগডালে একরামুল " aria-hidden="true"> হাঁটতে হয় ক্র্যাচে ভর দিয়ে, তবুও জীবিকার তাগিদে গাছের মগডালে একরামুল " aria-hidden="true"> পঞ্চগড় সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা " aria-hidden="true"> স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট " aria-hidden="true"> ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পাচ্ছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ শিক্ষার্থী " aria-hidden="true"> সারের জন্য কৃষকের উপচে পড়া ভিড়, ডিলারের দোকানে উত্তেজনা " aria-hidden="true"> নগর জনস্বাস্থ্য রক্ষায় প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর " aria-hidden="true"> আনসার–ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে ৬২ পদে চাকরি

চীনের প্রেসিডেন্ট শির পারিবারিক জীবন নিয়ে যা জানা গেল

Reporter Name
  • আপডেটের সময়: Wednesday, October 7, 2026,
  • 11 সময় দেখুন

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের জীবনটা খুব সহজ নয়, বরং বড় উত্থান-পতনে ঘেরা। বলা চলে, তিনি ছিলেন সেই ‘রাজপুত্র’ যিনি সবকিছু হারিয়েছিলেন। শির গল্পের শুরুটা হয়েছিল বিশেষ সুবিধাজনক অবস্থান থেকে।

১৯৫৩ সালে বেইজিংয়ে জন্ম নেন শি জিনপিং। তার বাবা শি ঝংজুন ছিলেন একজন কমিউনিস্ট বিপ্লবী, যিনি গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছিলেন, পরবর্তীতে দলের ঊর্ধ্বতন নেতা এবং উপ-প্রধানমন্ত্রীও হয়েছিলেন।

শি ঝংজুনের ষষ্ঠ সন্তান ছিলেন শি জিনপিং। শৈশবে শি নামকরা বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং এমন সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন যা অধিকাংশ পরিবারের জন্য সহজলভ্য ছিল না।

তিনি ২২ বছর বয়সে চীনের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রাসায়নিক প্রকৌশল নিয়ে পড়াশোনা করতে গ্রাম ছেড়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  ফ্লাইদুবাইয়ে পাইলটকে ছুরিকাঘাত, ইসরাইলে চাপের মুখে নেতানিয়াহ

স্নাতক শেষ করার পর, তিনি বেইজিং থেকে অনেক দূরে ফুজিয়ান ও ঝেজিয়াংয়ে স্থানীয় কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। এ উপকূলীয় প্রদেশগুলো ১৯৮০-এর দশকে অর্থনীতি উন্মুক্ত হওয়ার পর চীনের অন্যতম ধনী প্রদেশে পরিণত হয়েছিল।

মাওয়ের মৃত্যুর পর শির বাবার পুনর্বাসন তাকে কেন্দ্রীয় সরকার ও সামরিক বাহিনীতে পদ পেতে এবং দলের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করেছিল।

এ কর্মকর্তাদের অনেকেই পরবর্তীকালে তার বিশ্বস্ত নেতৃত্ব বলয়ের অংশ হয়েছিলেন।

শি ১৯৭৯ সালে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত এক সাবেক রাষ্ট্রদূতের কন্যা কে লিংলিংকে প্রথম বিয়ে করেন, কিন্তু তিন বছর পর তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

দ্বিতীয় ও বর্তমান স্ত্রী পেং লিউয়ানের সঙ্গে শি জিনপিং-এর পরিচয় হয় একজনের মাধ্যমে যিনি তাদের দুইজনেরই বন্ধু ছিলেন।

লিউয়ান সামরিক বাহিনীর একজন লোকসংগীত শিল্পী, যিনি প্রতি বছর চান্দ্র নববর্ষের টেলিভিশন অনুষ্ঠানে গান গেয়ে চীনে ইতোমধ্যেই ঘরে ঘরে পরিচিত ছিলেন, যা কোটি কোটি দর্শক দেখতেন।

১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে অনেক চীনাদের কাছে, পেং তার স্বামী, প্রাদেশিক কর্মকর্তা শির চেয়ে বেশি পরিচিত ছিলেন।

পেং প্রায়শই শির সঙ্গে বিদেশ সফরে গিয়েছেন, যা চীনের ফার্স্ট লেডিদের ঐতিহ্যগতভাবে প্রচারবিমুখ ভাবমূর্তি থেকে একটি ব্যতিক্রম।

আরও পড়ুনঃ  ইতালিতে ১ লাখ ৬৬ হাজার কর্মী নেওয়ার ঘোষণা, আবেদনের প্রক্রিয়া যেভাবে

তাদের একমাত্র সন্তান, কন্যা শি মিংজে ১৯৯২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন— এটুকু ছাড়া তার সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানা যায় না।

২০০৭ সালে, সাংহাইয়ের শীর্ষ নেতা হিসেবে সংক্ষিপ্ত সময় দায়িত্ব পালনের পর, শি চীনের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা পলিটব্যুরো স্থায়ী কমিটিতে যোগ দেন। পাঁচ বছর পর, তিনি হু জিনতাওয়ের স্থলাভিষিক্ত হয়ে কমিউনিস্ট পার্টির নেতা হন।

চীনের নেতা হিসেবে শি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এমনভাবে পরিবর্তন এনেছেন, যা খুব কম লোকই প্রত্যাশা করেছিল।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © দৈনিক লালবার্তা কর্তৃপক্ষ
Design & Development BY: BD IT HOST