1. manikbdoot@gmail.com : dailylalbarta : dailylalbarta dailylalbarta
মরহুম এম. সাইফুর রহমান, তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার কিংবদন্তি পলিটিক্যাল পারসন। - দৈনিক লালবার্তা
শিরোনামঃ
" aria-hidden="true"> তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ " aria-hidden="true"> বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণাসহ ছয় দফা দাবি সাদপন্থিদের " aria-hidden="true"> মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে " aria-hidden="true"> দেশে আটকে পড়া সৌদি প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী " aria-hidden="true"> সৌদিতে অবস্থানরত প্রবাসীদের নিয়মিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী " aria-hidden="true"> ট্রেন যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা " aria-hidden="true"> আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নিয়োগ " aria-hidden="true"> রেলওয়ের দখল হওয়া জায়গা চিহ্নিত করে দখলমুক্ত করা হবে : রেলমন্ত্রী " aria-hidden="true"> জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তামাক ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কঠোর পদক্ষেপে সরকার: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল " aria-hidden="true"> রিয়াদের পর এবার দাম্মাম বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা

মরহুম এম. সাইফুর রহমান, তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার কিংবদন্তি পলিটিক্যাল পারসন।

সম্পাদকীয়
  • আপডেটের সময়: Friday, September 5, 2025,
  • 231 সময় দেখুন

➤ভাষা সৈনিক ও স্বাধীন বাংলাদেশের একজন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যাক্তি আমাদের মরহুম সাইফুর রহমান। তাঁর ১৭ তম মৃত্যু বার্ষিকীতে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
-সুহেল আহমদ-(সম্পাদক) সুরমা দর্পণ।

আজ ৫ সেপ্টেম্বর, তাঁর ১৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী, (মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এম.সাইফুর রহমানকে জান্নাতুল ফিরদউস দান করুন, আমিন)।

➤দক্ষিণ এশিয়ার কিংবদন্তি এই ব্যাক্তি পূণ্য ভূমি সিলেট সহ স্বাধীন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থানকে সুদৃঢ় করে আধুনিক রাষ্ট্রের রূপরেখার পথ সহজ করে গেছেন। দলমত নির্বিশেষে আমদের আগামীর এমপি/মন্ত্রী ও রাজনৈতিক ব্যাক্তিরা তাঁকে অনুসরণ করতে পারবেন।

➤সাইফুর রহমানের আত্মজীবনী গ্রন্থ “কিছু কথা কিছু স্মৃতি” ২০০৯ সালে প্রকাশিত হয়। এ বইতে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনের অকথিত বিষয়সহ বাংলাদেশের রাজনীতি এবং রাজনীতিক সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য তুলে ধরেন।

২০০৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। (ইন্না-লিল্লাহী ওয়া-ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

➤তিনি বাংলাদেশের একজন অর্থনীতিবিদ এবং রাজনীতিবিদ যিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বোচ্চ ১২ বার বার্ষিক অর্থ বাজেট পেশকারী অর্থমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন নেতা ছিলেন যিনি সর্বোচ্চ সময়কালীন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী ছিলেন। ২০০৫ সালে তাকে ভাষা আন্দোলনে তার অবদানের জন্য তাকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।
➤কিংবদন্তি এই ব্যাক্তি ৬ অক্টোবর ১৯৩২ সালে তৎকালীন মৌলভীবাজার মহকুমার সদর উপজেলার বাহারমর্দন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আব্দুল বাছিত এবং মা তালেবুননেসা। তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিলেন সাইফুর রহমান।

আরও পড়ুনঃ  আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নিয়োগ

➤সাইফুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতিতে যোগ দেন এবং সলিমুল্লাহ হল ছাত্র ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার জন্য তিনি গ্রেফতার হয়ে এক মাস কারাবরণ করেন। তার জাতীয় রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভার বাণিজ্য উপদেষ্টা হিসেবে।

১৯৭৭ সালে তিনি জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দলে যোগ দেন যা তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে রূপান্তরিত হয়। তিনি ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন সিলেট-১৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুনঃ  আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নিয়োগ

১৯৭৮ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তিনি প্রথমে জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভার বাণিজ্যমন্ত্রী ও পরে আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২৪ মার্চ ১৯৮২ সালে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের কাছ থেকে এরশাদ ক্ষমতা দখল করে সামরিক শাসন জারি করলে বিএনপির শীর্ষপর্যায়ের প্রায় সব নেতার সাথে তিনি গ্রেফতার হন।

১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি টেকনোক্র্যাট অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে সিলেট-৪ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে মৌলভীবাজার-৩ ও সিলেট-৪ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে তিনি সিলেট-১ ও মৌলভীবাজার-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ছিলেন।

বাংলাদেশে মুক্ত বাজার সংস্কার প্রক্রিয়ার প্রবর্তক হিসেবে সমধিক পরিচিত। তিনি সবচেয়ে বেশি সময়কাল ধরে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এবং মোট ১২ বার জাতীয় বাজেট পেশ করেন।

আরও পড়ুনঃ  আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নিয়োগ

➤সাইফুর রহমান পেশায় একজন চার্টার্ড একাউন্ট্যান্ট ছিলেন। ১৯৬২ সালে পেশাজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় বেতন কমিশনে প্রাইভেট সেক্টর হতে একমাত্র সদস্য মনোনীত হন। তিনি ১৯৭৩ ও ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতীয় বেতন কমিশনের সদস্যও ছিলেন।

তিনি ‘রহমান, রেহমান অ্যান্ড হক’ নামে একটি নিরীক্ষা ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেন যা চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্ট শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে তার কৃতিত্বের স্মারক হয়ে আছে।

১৯৯৪ সালে তিনি স্পেনের মাদ্রিদে বিশ্ব ব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সুবর্ণ জয়ন্তী সম্মেলনের গভর্নর নির্বাচিত হন। ১৯৮০ থেকে ১৯৮২ ও ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ মেয়াদে তিনি বিশ্বব্যাংক, এডিবি, আইডিবি, আইএফএডিতে বাংলাদেশের গভর্নর ছিলেন। ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৫ মেয়াদে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। কিংবদন্তির বিদায়ী দিবসে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করি।
লেখক: সুহেল আহমদ, (সম্পাদক) সুরমা দর্পণ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © দৈনিক লালবার্তা কর্তৃপক্ষ
Design & Development BY: BD IT HOST