
জয়পুরহাটে ল্যাপটপ বণ্টন ও সারের ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফয়সল আলিম। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘ল্যাপটপগুলো ভাগাভাগি করে নিজেদের মধ্যে খেয়ে ফেললেন।’
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তার পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার শুরু হয়েছে।
ফয়সল আলিম ফেসবুকে লেখেন, ল্যাপটপগুলো ভাগাভাগি করে নিজেদের মধ্যে খেয়ে ফেললেন। বিগত ছয় মাসে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ করে খাওয়া শেষ, এখন আর কিছুই নাই খাওয়ার মতো, কারণ খাওয়া স্থগিত হয়ে গেছে।
সারের ডিলার নিয়োগ নিয়ে তিনি লেখেন, জয়পুরহাট-পাঁচবিবিতে সারের ডিলারশিপ এমনভাবে দিলেন, যাতে নির্যাতিত নেতাকর্মীরা কেউ সুযোগ পেল না। আত্মীয়স্বজন, স্ত্রী, ভাই, ছেলে, মেয়ে, শাশুড়ি কাউকে বাদ রাখলেন না। আমি তো অবাক নয়নে দেখে যাচ্ছি, আমাদের জয়পুরহাটের কী হবে।’
তার ওই পোস্টের মন্তব্যে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা প্রতিক্রিয়া জানান। কেউ কেউ তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানান। আবার কেউ কেউ অভিযোগের পরিবর্তে নেতাকর্মীদের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
স্থানীয় পুরানাপৈল ইউনিয়নের বিএনপি কর্মী উজ্জ্বল হোসাইন কমেন্টে লেখেন, ‘এসব বলার চাইতে আপনে কিছু করে দেখান ভাই।’
এদিকে ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে জানতে চাইলে ফয়সল আলিম গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেন না। তাই এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে আমি সোচ্চার থাকব এবং অনিয়মগুলো তুলে ধরবই।
তিনি জানান, সারের ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ পুনর্ব্যক্ত করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তার নির্যাতিত নেতাকর্মীদের কেন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
জানতে চাইলে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন বলেন, ফয়সল আলিমের ফেসবুক স্ট্যাটাসের বক্তব্য রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত। ফয়সল আলিম যেসব অনিয়মের কথা বলেছেন, সেগুলো সত্য নয়।