বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন

ঘোষনাঃ-
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হইবে, আগ্রহী প্রার্থীগণকে নিম্ন ঠিকানায় অথবা ইমেইল এ আবেদন পত্র জমা দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হইলো।
শিরোনাম :
পাটগ্রামে হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের গণ অনশন-গণ অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল হঠাৎ ভয়াবহ বন্যা, পানির চাপে ভেঙে গেছে ফ্লাড বাইপাস বাঁধ আঙ্গারপোতা সীমান্তে রাতের আঁধারে কাঁটাতার নির্মাণের পায়তাঁরা চালাচ্ছেন বিএসএফ! ডিমলায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত। দহগ্রাম তিস্তা নদীতে গোসল করতে গিয়ে এক শিশু নিখোঁজ সম্মানিত সুধী ও আমার প্রাণপ্রিয় এলাকাবাসী দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচন ১১নভেম্বর তিনবিঘা করিডোর পরিদর্শন করলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী দহগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ২রোহিঙ্গা যুবক যুবতীকে পুস ব্যাক করলো বিএসএফ! পাটগ্রামে লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার পৌরসভা কর্মকর্তা কর্মচারীদের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি তিনবিঘা এক্সপ্রেস কি বাস্তবায়ন হবে না..!  পাটগ্রাম সরকারি কলেজে ছাত্রলীগের শিক্ষার্থীদের মাঝে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ প্রধানমন্ত্রী ও রেলওয়ে মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির ১০বছরেও চালু হয়নি “তিনবিঘা এক্সপ্রেস” তিনবিঘার ভিতরের রাস্তার দু’দিকে প্রাচীর তৈরি করার বিরোধিতায় ঢাকায় মানববন্ধন পাটগ্রাম গ্রামীণ ফুটবল খেলায় ২-১ গোলে পরাজিত বাংলা বাজার তিনবিঘা করিডোরের ভিতরে বিএসএফের প্রাচীর নির্মাণ- বিজিবি’র বাঁধা মাছের ঘাটতি পূরণে পাটগ্রামে পোনা অবমুক্তকরণ বুড়িমারী স্থলবন্দর জিরো পয়েন্টে লাশের দাবিতে স্বজনদের বিক্ষোভ অবরোধ লালমনিরহাটে হাইওয়ে পুলিশের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা হাতীবান্ধায় রাস্তা দখল করে বাড়ী নিমার্ণ প্রতিবাদ করায় নারীকে মারধর

লালমনিরহাটে নৌকা বনাম নৌকা

আজ ১০ই অক্টোবর ২০১৯। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানগণের দায়িত্ব গ্রহণের আজ ৬ মাস পূর্ণ হলো।

ফ্ল্যাশব্যাক :
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ঘোড়া প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা দলমতনির্বিশেষে সকলের পছন্দের মানুষ তরুণ জননেতা জনাব মশিউর রহমান মামুন জয়ী হয়েছেন আর পাটগ্রাম উপজেলায় নৌকা প্রতীক নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো জয়ী হয়েছেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা আওয়ামী লীগ নেতা জনাব রুহুল আমিন বাবুল। উল্লেখ্য, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম এই দুটি উপজেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে সংসদীয় আসন ‘লালমনিরহাট – ১’। এই আসনের এমপি হলেন জনাব মো. মোতাহার হোসেন।

আমরা অবাক হয়ে এবার দেখেছি, এই আসনের কতিপয় নেতা মনে মনে চেয়েছিলেন, হাতীবান্ধায় নৌকা প্রতীক জিতুক, কিন্তু পাটগ্রামে নৌকা প্রতীক হারুক। এ যেন নৌকা বনাম নৌকা!

শুধু মনে মনে নয়, তারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্ন নেতা ও কর্মীকে সেভাবে নির্দেশ, এমনকি হুমকিও দিয়েছিলেন বলে লোকমুখে ব্যাপকভাবে প্রচারিত আছে। তাদের সেই ষড়যন্ত্রের ফলাফল হয়েছে একেবারে উল্টো। অর্থাৎ হাতীবান্ধায় নৌকা হেরেছে। পাটগ্রামে নৌকা জিতেছে। বলা যায়, গণেশ উল্টে গেছে। ফলত এই উল্টো ফলাফলের মাধ্যমে হাতীবান্ধা-পাটগ্রামের মানুষ আওয়ামী লীগকে নয়, বরং আওয়ামী লীগের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা ষড়যন্ত্রকারী নেতাদের দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছেন। এই জবাব স্থানীয় রাজনীতিতে একটি নতুন মেসেজ হিসেবে প্রতিভাত হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান পদে হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামে যে-দুজন জিতেছেন, দুজনই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পরীক্ষিত সৈনিক। প্রকৃতপ্রস্তাবে এই দুজন নেতা সন্দেহাতীতভাবে জনপ্রিয়।

পর্যবেক্ষণ: এই নির্বাচনেএকটি দিক ফুটে উঠেছে যে, লালমনিরহাট – ১ আসনের এমপি জনাব মো. মোতাহার হোসেনের গ্রহণযোগ্যতা তলানিতে এসে ঠেকেছে। তিনি এরই মধ্যে বিতর্কের মুখে পড়েছেন এবং তাঁর জনপ্রিয়তা শূন্যের কোঠা ছুঁইছুঁই করছে। নাহলে তিনি ওইসময় এলাকায় উপস্থিত ও সক্রিয় থাকার পরও এভাবে গণেশ উল্টে গেল কেন? গত ১০ই মার্চ হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামের উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এমপি মোতাহার হোসেন সাহেব ও তাঁর অনুগত নেতাদের প্রবল তৎপরতার পরও হাতীবান্ধা উপজেলায় নৌকা প্রতীক জিততে পারেনি। বরং এমপি সাহেবের নিজের ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক অসম্মানজনকভাবে হেরে গেছে, যার দায় মোতাহার হোসেন এমপি সাহেব এড়াতে পারবেন বলে মনে হয় না। প্রসঙ্গত বলে রাখি, মোতাহার হোসেন সাহেব প্রতিমন্ত্রী ছিলেন, এরপরের মেয়াদে এক ধাপ নিচে নেমে এসে হয়েছিলেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি, বর্তমান মেয়াদে সেই পদও তিনি হারিয়েছেন। এপর্যন্ত তিনি কোনো পদই পাননি। এদিকে শোনা যাচ্ছে, সামনের নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে মোতাহার হোসেন এমপি সাহেব সভাপতির পদটি হারাতে পারেন। এটা হাতীবান্ধা-পাটগ্রামবাসীর জন্য নিশ্চয়ই সুখবর নয়। ওদিকে হাতীবান্ধা থেকে ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণের উপজেলা কালীগঞ্জের জনপ্রিয় নেতা জনাব মো. নুরুজ্জামান আহমেদ এমপি গত মেয়াদে প্রতিমন্ত্রী ছিলেন, এবার এক ধাপ উপরে উঠে তিনি হয়েছেন পূর্ণ মন্ত্রী। এটা অবশ্যই ওই এলাকা অর্থাৎ কালীগঞ্জ-আদিতমারীবাসীর জন্য সুখের খবর।

যাহোক, যা বলছিলাম সেটাই বলি। যদি ভুল না হয়, তাহলে একটা ছোট্ট পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরা যায়:

হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে,
[]
ক) মোতাহার হোসেন এমপি সাহেবের নিজের বড়খাতা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব লিয়াকত হোসেন বাচ্চু নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ৯৯৫ ভোট। অপরদিকে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, যুক্তফ্রন্টের এমএলএ আবুল হোসেন আহমেদের নাতি, অবিভক্ত বড়খাতা ইউনিয়নের ২৯ বছরের আমৃত্যু চেয়ারম্যান, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আজগার হোসেন আহমেদের ছেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর হোসেন রন্টু আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৪১৩ ভোট।

খ) মোতাহার হোসেন এমপি সাহেবের বড়খাতাস্থ বাসা থেকে ৫শ’ গজের ভেতরে বড়খাতা হাইস্কুল ভোটকেন্দ্র। সেই কেন্দ্রে নৌকা প্রতীক পেয়েছে ১৮৫ ভোট, স্বতন্ত্র আনারস প্রতীক পেয়েছে ৮৭৪ ভোট।

গ) মোতাহার হোসেন এমপি সাহেবের গ্রামের বাড়ির এক কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত পূর্ব সাড়ডুবি প্রাইমারি স্কুল ভোটকেন্দ্র। সেই কেন্দ্রে নৌকা প্রতীক পেয়েছে ২৫৫ ভোট, আনারস প্রতীক পেয়েছে ৮৬১ ভোট।

অনেকে বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে যদি স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয়তা পরীক্ষা করা হতো, তাহলে মোতাহার হোসেন সাহেব পাটগ্রামে জনাব রুহুল আমিন বাবুলের কাছে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হেরে যেতেন এবং একইভাবে হাতীবান্ধায়ও তিনি হেরে যেতেন নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব মশিউর রহমান মামুনের কাছে। এর বাস্তবতা-অবাস্তবতা আল্লাহই ভালো জানেন।

উল্লেখ করা যায় যে, হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জনাব লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর নৌকা প্রতীকের বিপরীতে আওয়ামী লীগ ঘরানার ৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী দাঁড়িয়েছিলেন। অন্য দলের আর কেউ এই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ৩ জনই হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রথম সারির নেতা। এই নেতারা দীর্ঘদিন থেকে দলকে সংগঠিত করেছেন। এদের অনুপস্থিতির কারণে বর্তমানে হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগ নিষ্প্রাণ হয়ে পড়েছে। এই বিরূপ প্রভাব দীর্ঘদিন অব্যাহত থাকলে আওয়ামী লীগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে প্রতীয়মান হয়। অন্যদিকে ১ জন, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মশিউর রহমান মামুন যিনি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে জিতেছেন, তিনিও দলের একজন সক্রিয় সংগঠক। আওয়ামী ঘরানার এই ৪ জনই ত্যাগী, পরীক্ষিত ও কর্মীবান্ধব নেতা।

প্রসঙ্গক্রমে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের একজন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান যুগ্ম-সম্পাদক জনাব সরওয়ার হায়াত খান আমাকে জানিয়েছেন, প্রার্থী মনোনয়ন প্রদানের ব্যাপারে অস্বচ্ছতা ও সুক্ষ্ম কারচুপি ছিল। মূলত নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সেজন্য তাঁরা ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। সেসময় দলের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোনো বিধিনিষেধও ছিল না। অথচ এখন তারা কেন্দ্র থেকে শোকজের আওতায় পড়েছেন।

হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলা পরিষদের নির্বাচন মূল্যায়ন করে আমার বিশ্বাস জন্মেছে যে, গণেশ প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্রকারীরা কখনই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বাহক হয় না। যুগে যুগে তারা নাজিল হয় খুনী মোশতাকের প্রেতাত্মা হয়ে। সেই মোশতাকদের কবলে থাকলে আওয়ামী লীগ একদিন হয়তো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। নিশ্চিহ্ন হওয়ার ঠিক এই জায়গাটি আঁচ করতে পেরে হাতীবান্ধা-পাটগ্রামের বঙ্গবন্ধুভক্ত মানুষ এবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। তাঁরা ব্যালটের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীদের উচিত শিক্ষা দিয়েছেন। যাকে বলে, গণেশ পা উপুড় করে একেবারেই উল্টে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে কথিত জনধিকৃত নেতাদের যদি হুঁশ হয়, তাহলে আওয়ামী লীগের ইজ্জত বাঁচবে। কিন্তু সে আশা নিতান্তই কম দেখি। কারণ সারা দেশে এই ষড়যন্ত্রকারীরা কখনই হেদায়েতপ্রাপ্ত হয়নি, হবেও না, হাতীবান্ধা-পাটগ্রামেও হবে বলে মনে হয় না। এরা আওয়ামী লীগের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা একেকটা খুনী মোশতাক। এদেরকে উৎখাত করা খুবই জরুরি। এ ব্যাপারে আমি আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সমীপে কিছু কথা নিবেদন করতে চাই:

মাননীয় জননেত্রী,
এই মোনাফেকদের চিহ্নিত করার ব্যবস্থা নিন। এরাই ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান দিয়ে নৌকা প্রতীককে দুই ভাগে ভাগ করতে চায়। এই নির্লজ্জ-বেয়াদবরা জাতির পিতার সঙ্গে মশকরা শুরু করে দিয়েছে। দয়া করে এদের চিহ্নিত করুন এবং কানমলা দিয়ে দল থেকে তাড়িয়ে দিন। হ্যাঁ, আমি এখন আওয়ামী লীগ করি না এটা সত্য। কিন্তু একসময় টানা ১২ বছর অর্থাৎ ১৯৯০ থেকে ২০০২ খ্রি. পর্যন্ত আমি হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলাম। আমি ছিলাম লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক। এই মোনাফেকদের অত্যাচারে আমি আওয়ামী লীগ ছেড়েছি। আজ পর্যন্ত অন্য কোনো দলে যোগ দেইনি, যোগ দেয়ার প্রশ্নও আসে না। আওয়ামী লীগ ছাড়ার পর এরা আমার পরিবারের ওপর সীমাহীন জুলুম করেছে। এরা আমার এবং আমার পরিবারের ক্ষতি করার জন্য আজও খড়গহস্ত হয়ে আছে। এসব ব্যক্তিগত কষ্ট নাহয় বাদ দিলাম। কিন্তু বঙ্গবন্ধু? ওরা তো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে আমার বুক থেকে কেড়ে নেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করেছিল। বর্বররা আমাকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেয়েছিল, ওরা আমাকে বঙ্গবন্ধুহীন করে রাখতে চেয়েছিল। ওরা চেয়েছিল, আমি যেন অন্য দলে যোগ দেই। কিন্তু পাষণ্ডরা জানে না, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আগের মতোই আজও আমার প্রাণে একাকার হয়ে আছেন। আমার প্রাণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আমৃত্যু একাকার হয়েই থাকবেন। এই ১৭ বছরে ওরা এটুকু বুঝেছে যে, লম্পট-বর্বরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আমার মতো মানুষেরা মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ছাড়তে পারে না। বেকুবদের বোঝা উচিত, কলিজা থেকে বঙ্গবন্ধুকে সরানো যায় না। কলিজার সেই টান প্রচণ্ডভাবে অনুভব করি বলেই এই লেখার প্রথম থেকে অনেক কথা বলে ফেললাম। এদের সমূলে উৎখাত করার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলা দুটির আওয়ামী লীগে একদিন মহা ধস নেমে আসবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

কথিত স্বার্থবাদী নেতারা লুটপাট করতে এসেছে, লুটপাট করেছে, একেকজন আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। এবার সবকিছু রাষ্ট্রকে ফিরিয়ে দিতে বলুন। ওরা অনিয়ম-অনাচার-লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করে আওয়ামী লীগকে পঙ্গু করতে চেয়েছে, অনেকটা পঙ্গু করে ফেলেছেও। দয়া করে আইন ও রাজনৈতিক প্রতিবিধানের মাধ্যমে এবার ওদের সবাইকে পঙ্গু করার প্রক্রিয়া শুরু করুন। তাহলেই দল বাঁঁচবে, তাহলেই দেশ বাঁচবে।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম এতোটা কখনই পচেনি যতোটা গত দশ বছরে এই কুলাঙ্গাররা পচিয়ে উপজেলা দুটিকে দূর্গন্ধযুক্ত করে ফেলেছে। দয়া করে পচে যাওয়া হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলাকে আপনি বাঁচান। সদয় নজর দিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

আমরা বাংলার মানুষ আপনার সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ।

শ্রদ্ধান্তে,
আলী আখতার গোলাম কিবরিয়া
সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক
হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগ,

সাবেক তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক
লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগ।

নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2018 Daily Lal Barta
Design & Developed BY N Host BD