রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৭:০২ অপরাহ্ন

ঘোষনাঃ-
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হইবে, আগ্রহী প্রার্থীগণকে নিম্ন ঠিকানায় অথবা ইমেইল এ আবেদন পত্র জমা দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হইলো।
শিরোনাম :
মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট, যানবাহনের চাপও কম ফকির আলমগীরের চলে যাওয়া এক কিংবদন্তির প্রস্থান – তথ্যমন্ত্রী এখন থেকে শিশু-কিশোরও মডার্নার ভ্যাকসিন পাবে জীবনের সুরক্ষায় অনিবার্য প্রয়োজনেই এই সিদ্ধান্ত: ওবায়দুল কাদের লালমনিরহাট হাতীবান্ধা মহিলা ডিগ্রী কলেজে  বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও একাডেমিক ভবন উদ্বোধন লালমনিরহাটে বিয়ের অনুষ্ঠানে ১০ হাজার টাকা জরিমানা  লালমনিরহাটে কুরবানীকে নিয়ে ফেসবুকে বিরূপ মন্তব্য করায় প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার হাতীবান্ধায় ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষনের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার শিকল পা’য়ে খড়ে খড়ে হাঁটছেন রবিউল… তিস্তা পাড়েরপ্রতিবন্ধী মোজাম্মেল এবারো দিবেন প্রধানমন্ত্রী’র নামে পশু কোরবানী  লালমনিরহাটে  কাজ না করে প্রকল্পের টাকা গায়েব করলেন ইউপি চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র  হাতীবান্ধায় ডিজিটাল  চারা রোপন মেশিন বিতরন  দহগ্রামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপাহার পেলো ২৫০ পরিবার লালমনিরহাট জেলায় শ্রেষ্ট এস আই নুর আলম পাটগ্রামের ললিতারহাটে লাইট অফ এ্যাডুকেশনের স্যানেটাইজার ও মাক্স বিতরণ তিনবিঘা করিডোর পরিদর্শন করলেন বিএসএফ’র ডিজি… পাটগ্রামে প্রশাসনিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মোতাহার হোসেন তিনবিঘা করিডোরে হেলিকপ্টার মহড়া; পরিদর্শনে আসছেন বিএসএফ’র ডিজি! প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ করলেন, মোতাহার হোসেন এমপি নিজের হাতে তৈরী করা শেয়াল মারা ফাঁদে নিজের মৃত্যু!

তিন সন্তান থাকার পরেও কচুপাতা বিক্রয় করে ভাগ্যে জুটছে বৃদ্ধ মায়ের খাদ্য

এস বাবু রায়, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
তিন সন্তান থাকার পরেও শেষ বয়সে এসে নিজের খাবারের জোগাড় করতে হচ্ছে নিজেকেই। ৮০ বছরের অসহায় এই বৃদ্ধার নাম শান্তি বানু। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই কেউ খোঁজ রাখে না তার। প্রতিদিনের খাবারের টাকাও হাতে নেই তার। উপায় না পেয়ে রাস্তাঘাটে বেড়ে ওঠা কচুপাতা সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রির মাধ্যমে নিজের খাবারের খরচ জোগাচ্ছেন বৃদ্ধা শান্তি বানু নিজেই। ৮০ বছরের এই বৃদ্ধা থাকেন লালমনিরহাট শহরের অদূরে শহীদ শাহজাহান কলোনির ছোট একটি ঝুপড়ি ঘরে। শান্তি বানু জানান, স্বামী রইছুদ্দিনের ছিল স্বপ্ন, ছিল বুকভরা আশা। ছেলেদের বড় করে মানুষের মত মানুষ করবে। সুখ-শান্তি আসবে তাদের ঘরে। কিন্তু শান্তি বানুর শান্তির স্বপ্ন ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে। স্বামী মারা যাওয়ার পর ছেলেরা তার কোন খোঁজই রাখে না। তিন ছেলে শফিক, সুজন, শাহিনের বিয়ে হয়েছে। নিজেদের সংসার নিয়ে তিন ছেলেই এখন ব্যস্ত। খেয়ে না খেয়ে চলে শান্তি বানুর কষ্টের জীবন। তবুও ভিক্ষা করেন না তিনি। শহীদ শাহজাহান কলোনিতে শান্তি বানুর মত রমিচা, গুলজান, আমেনা, রহিতনেরও একই অবস্থা। তাদের প্রত্যেকের জীবনেই আছে আলাদা গল্প, আছে করুণ ইতিহাস। শান্তি বানুর তিন ছেলের মধ্যে বড় ছেলে শফিকের সাথে কথা হয় মুঠোফোনে। তিনি জানালেন, বিয়ে করা পর তাদের সংসারই ঠিকভাবে চলে না, কঠিন অবস্থায় রয়েছেন তার ছেলে মেয়েকে নিয়ে। তিনি বলেন, ‘মায়ের ছেলে কি আমি একা? আরও তো আছে।’ কথাগুলো বলা শেষ হতে না হতেই কল কেটে দেন তিনি। সরকারের নতুন আইনটি সম্পর্কে শান্তি বানু জানেন। বাবা-মাকে সন্তানদেরা লালন পালন করা বাধ্যতামূলক। না হলে ওই সন্তানকে জেলে যেতে হবে। এই আইনের প্রসঙ্গে কথা বলা হলে শান্তি বানু বলেন, ‘মোক ভরণ-পোষণ না করুক, তবু বেঠাগুলাক জেলত দিবো না।’ কথাগুলো বলার সময় শান্তি বানুর চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েছিল। সারা জীবন শ্রম দিয়ে আর কষ্ট করে সংসার আগলে রেখেছিলেন শান্তি বানু। কিন্তু জীবনে একটু সুখও পাননি। এখন জীবনের শেষ সময়ে এসে এমন অবহেলার শিকার হয়েও ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে বাঁচাতে চান না তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2018 Daily Lal Barta
Design & Developed BY N Host BD