বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন

ঘোষনাঃ-
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হইবে, আগ্রহী প্রার্থীগণকে নিম্ন ঠিকানায় অথবা ইমেইল এ আবেদন পত্র জমা দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হইলো।
শিরোনাম :
পাটগ্রামে হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের গণ অনশন-গণ অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল হঠাৎ ভয়াবহ বন্যা, পানির চাপে ভেঙে গেছে ফ্লাড বাইপাস বাঁধ আঙ্গারপোতা সীমান্তে রাতের আঁধারে কাঁটাতার নির্মাণের পায়তাঁরা চালাচ্ছেন বিএসএফ! ডিমলায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত। দহগ্রাম তিস্তা নদীতে গোসল করতে গিয়ে এক শিশু নিখোঁজ সম্মানিত সুধী ও আমার প্রাণপ্রিয় এলাকাবাসী দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচন ১১নভেম্বর তিনবিঘা করিডোর পরিদর্শন করলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী দহগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ২রোহিঙ্গা যুবক যুবতীকে পুস ব্যাক করলো বিএসএফ! পাটগ্রামে লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার পৌরসভা কর্মকর্তা কর্মচারীদের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি তিনবিঘা এক্সপ্রেস কি বাস্তবায়ন হবে না..!  পাটগ্রাম সরকারি কলেজে ছাত্রলীগের শিক্ষার্থীদের মাঝে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ প্রধানমন্ত্রী ও রেলওয়ে মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির ১০বছরেও চালু হয়নি “তিনবিঘা এক্সপ্রেস” তিনবিঘার ভিতরের রাস্তার দু’দিকে প্রাচীর তৈরি করার বিরোধিতায় ঢাকায় মানববন্ধন পাটগ্রাম গ্রামীণ ফুটবল খেলায় ২-১ গোলে পরাজিত বাংলা বাজার তিনবিঘা করিডোরের ভিতরে বিএসএফের প্রাচীর নির্মাণ- বিজিবি’র বাঁধা মাছের ঘাটতি পূরণে পাটগ্রামে পোনা অবমুক্তকরণ বুড়িমারী স্থলবন্দর জিরো পয়েন্টে লাশের দাবিতে স্বজনদের বিক্ষোভ অবরোধ লালমনিরহাটে হাইওয়ে পুলিশের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা হাতীবান্ধায় রাস্তা দখল করে বাড়ী নিমার্ণ প্রতিবাদ করায় নারীকে মারধর

তিন সন্তান থাকার পরেও কচুপাতা বিক্রয় করে ভাগ্যে জুটছে বৃদ্ধ মায়ের খাদ্য

এস বাবু রায়, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
তিন সন্তান থাকার পরেও শেষ বয়সে এসে নিজের খাবারের জোগাড় করতে হচ্ছে নিজেকেই। ৮০ বছরের অসহায় এই বৃদ্ধার নাম শান্তি বানু। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই কেউ খোঁজ রাখে না তার। প্রতিদিনের খাবারের টাকাও হাতে নেই তার। উপায় না পেয়ে রাস্তাঘাটে বেড়ে ওঠা কচুপাতা সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রির মাধ্যমে নিজের খাবারের খরচ জোগাচ্ছেন বৃদ্ধা শান্তি বানু নিজেই। ৮০ বছরের এই বৃদ্ধা থাকেন লালমনিরহাট শহরের অদূরে শহীদ শাহজাহান কলোনির ছোট একটি ঝুপড়ি ঘরে। শান্তি বানু জানান, স্বামী রইছুদ্দিনের ছিল স্বপ্ন, ছিল বুকভরা আশা। ছেলেদের বড় করে মানুষের মত মানুষ করবে। সুখ-শান্তি আসবে তাদের ঘরে। কিন্তু শান্তি বানুর শান্তির স্বপ্ন ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে। স্বামী মারা যাওয়ার পর ছেলেরা তার কোন খোঁজই রাখে না। তিন ছেলে শফিক, সুজন, শাহিনের বিয়ে হয়েছে। নিজেদের সংসার নিয়ে তিন ছেলেই এখন ব্যস্ত। খেয়ে না খেয়ে চলে শান্তি বানুর কষ্টের জীবন। তবুও ভিক্ষা করেন না তিনি। শহীদ শাহজাহান কলোনিতে শান্তি বানুর মত রমিচা, গুলজান, আমেনা, রহিতনেরও একই অবস্থা। তাদের প্রত্যেকের জীবনেই আছে আলাদা গল্প, আছে করুণ ইতিহাস। শান্তি বানুর তিন ছেলের মধ্যে বড় ছেলে শফিকের সাথে কথা হয় মুঠোফোনে। তিনি জানালেন, বিয়ে করা পর তাদের সংসারই ঠিকভাবে চলে না, কঠিন অবস্থায় রয়েছেন তার ছেলে মেয়েকে নিয়ে। তিনি বলেন, ‘মায়ের ছেলে কি আমি একা? আরও তো আছে।’ কথাগুলো বলা শেষ হতে না হতেই কল কেটে দেন তিনি। সরকারের নতুন আইনটি সম্পর্কে শান্তি বানু জানেন। বাবা-মাকে সন্তানদেরা লালন পালন করা বাধ্যতামূলক। না হলে ওই সন্তানকে জেলে যেতে হবে। এই আইনের প্রসঙ্গে কথা বলা হলে শান্তি বানু বলেন, ‘মোক ভরণ-পোষণ না করুক, তবু বেঠাগুলাক জেলত দিবো না।’ কথাগুলো বলার সময় শান্তি বানুর চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েছিল। সারা জীবন শ্রম দিয়ে আর কষ্ট করে সংসার আগলে রেখেছিলেন শান্তি বানু। কিন্তু জীবনে একটু সুখও পাননি। এখন জীবনের শেষ সময়ে এসে এমন অবহেলার শিকার হয়েও ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে বাঁচাতে চান না তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2018 Daily Lal Barta
Design & Developed BY N Host BD