বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ১০:২১ অপরাহ্ন

ঘোষনাঃ-
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হইবে, আগ্রহী প্রার্থীগণকে নিম্ন ঠিকানায় অথবা ইমেইল এ আবেদন পত্র জমা দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হইলো।
শিরোনাম :
অভাব অনটনে দিশেহারা বৃদ্ধ আফজাল; সংসার চলে বাঁশের মুড়ায়! সাংবাদিকতায় সম্মাননা পেলেন মোঃ আবদুল আউয়াল সরকার দহগ্রাম ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়ন পাচ্ছেন রুনা লায়লা! পাটগ্রাম থানা ওসি’র বদলি পাটগ্রাম থানা পুলিশের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত বঙ্গবন্ধু ও ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ… লালমনিরহাটে হুন্ডি ব্যবসায়ী ভারতীয় ৭লাখ ৭০হাজার রুপিসহ পুলিশের হাতে আটক পাটগ্রামে ইউএনও’র কুশপুত্তলিকা দাহ করার ঘটনায় গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত চলছে অর্থাভাবে অগ্নিদগ্ধ এক নারীর চিকিৎসা করাতে পারছেনা হতদরিদ্র পরিবারঃআশঙ্কাজনক! পাটগ্রামে কাজীর কুকর্ম ফাঁস করলেন প্রতারনার শিকার এক গৃহবধূ! সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দোষীদের চূড়ান্ত বিচারের রায় এই বছরের মধ্যেই কার্যকর করার দাবি জানিয়েছে বিএনপি ঢাকা-জলপাইগুড়ি ট্রেন চলাচল শুরু ২৬ মার্চ পাটগ্রামে আবারও ইউএনও বদলি! ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক বাংলাদেশি যুবক! জমি দখল নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার লালমনিরহাটে পলিথিনে মোড়ানো গুলিভর্তি একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার! পাটগ্রামে ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত সাংবাদিক হত্যার বিচার দাবিতে ২৩ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা লালমনিরহাটে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

তিন সন্তান থাকার পরেও কচুপাতা বিক্রয় করে ভাগ্যে জুটছে বৃদ্ধ মায়ের খাদ্য

এস বাবু রায়, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
তিন সন্তান থাকার পরেও শেষ বয়সে এসে নিজের খাবারের জোগাড় করতে হচ্ছে নিজেকেই। ৮০ বছরের অসহায় এই বৃদ্ধার নাম শান্তি বানু। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই কেউ খোঁজ রাখে না তার। প্রতিদিনের খাবারের টাকাও হাতে নেই তার। উপায় না পেয়ে রাস্তাঘাটে বেড়ে ওঠা কচুপাতা সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রির মাধ্যমে নিজের খাবারের খরচ জোগাচ্ছেন বৃদ্ধা শান্তি বানু নিজেই। ৮০ বছরের এই বৃদ্ধা থাকেন লালমনিরহাট শহরের অদূরে শহীদ শাহজাহান কলোনির ছোট একটি ঝুপড়ি ঘরে। শান্তি বানু জানান, স্বামী রইছুদ্দিনের ছিল স্বপ্ন, ছিল বুকভরা আশা। ছেলেদের বড় করে মানুষের মত মানুষ করবে। সুখ-শান্তি আসবে তাদের ঘরে। কিন্তু শান্তি বানুর শান্তির স্বপ্ন ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে। স্বামী মারা যাওয়ার পর ছেলেরা তার কোন খোঁজই রাখে না। তিন ছেলে শফিক, সুজন, শাহিনের বিয়ে হয়েছে। নিজেদের সংসার নিয়ে তিন ছেলেই এখন ব্যস্ত। খেয়ে না খেয়ে চলে শান্তি বানুর কষ্টের জীবন। তবুও ভিক্ষা করেন না তিনি। শহীদ শাহজাহান কলোনিতে শান্তি বানুর মত রমিচা, গুলজান, আমেনা, রহিতনেরও একই অবস্থা। তাদের প্রত্যেকের জীবনেই আছে আলাদা গল্প, আছে করুণ ইতিহাস। শান্তি বানুর তিন ছেলের মধ্যে বড় ছেলে শফিকের সাথে কথা হয় মুঠোফোনে। তিনি জানালেন, বিয়ে করা পর তাদের সংসারই ঠিকভাবে চলে না, কঠিন অবস্থায় রয়েছেন তার ছেলে মেয়েকে নিয়ে। তিনি বলেন, ‘মায়ের ছেলে কি আমি একা? আরও তো আছে।’ কথাগুলো বলা শেষ হতে না হতেই কল কেটে দেন তিনি। সরকারের নতুন আইনটি সম্পর্কে শান্তি বানু জানেন। বাবা-মাকে সন্তানদেরা লালন পালন করা বাধ্যতামূলক। না হলে ওই সন্তানকে জেলে যেতে হবে। এই আইনের প্রসঙ্গে কথা বলা হলে শান্তি বানু বলেন, ‘মোক ভরণ-পোষণ না করুক, তবু বেঠাগুলাক জেলত দিবো না।’ কথাগুলো বলার সময় শান্তি বানুর চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েছিল। সারা জীবন শ্রম দিয়ে আর কষ্ট করে সংসার আগলে রেখেছিলেন শান্তি বানু। কিন্তু জীবনে একটু সুখও পাননি। এখন জীবনের শেষ সময়ে এসে এমন অবহেলার শিকার হয়েও ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে বাঁচাতে চান না তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2018 Daily Lal Barta
Design & Developed BY N Host BD